• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুরবানির ত্যাগের মহিমায় সমাজ গড়ার আহ্বান ব্যবসায়ী নেতা সেলিম খানের দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন আবু সাঈদ সরকার পূবাইলবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা রাশেদ মোল্লা পূবাইলবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন আরিফ হোসেন ভূইয়া পবিত্র ঈদুল আজহায় পূবাইলবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন পূবাইল থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল খান ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন লতা গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান আইউব আলী ফাহিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ রাজিব ভূইয়া পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ইমাম হোসেন ইমরান পূবাইলবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক কাউন্সিলর এডভোকেট নজরুল ইসলাম খান বিকি পূবাইলবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন পূবাইল থানার ওসি আতিকুর রহমান

রাজনীতির আড়ালে এক সংগ্রামী নেতা: নজরুল ইসলাম বিকিকে ফিরিয়ে আনার দাবি তৃণমূলে

Reporter Name / ৬৭৪ Time View
Update : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

আসিফ রায়হান:

গাজীপুর মহানগরের রাজনীতিতে এক সময়ের সুপরিচিত নাম অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান বিকি। শুধু ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন নিবেদিতপ্রাণ তৃণমূল নেতা, সাহসী সংগঠক এবং রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক। পাশাপাশি পেশাগতভাবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তাঁর রয়েছে দৃঢ় অবস্থান।

দলের দুঃসময়ে, যখন অনেকেই রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তখনও এড. বিকি ছিলেন রাজপথে সক্রিয়। মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মুখেও তিনি কখনো পিছপা হননি। পূবাইল থানা বিএনপির কার্যক্রমকে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রেখেছিলেন বলিষ্ঠ নেতৃত্বে। অথচ আজ সেই নেতাই রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে অনুপস্থিত। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এড. নজরুল ইসলাম খান বিকি কোথায়? কেন রাজনীতির মাঠে নেই? কেন তাঁকে দলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না?

স্থানীয় পর্যায়ে অনুসন্ধান করে জানা গেছে, গাজীপুর ও পূবাইলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করেন, এড. বিকির মতো ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতাদের পুনরায় রাজনীতিতে যুক্ত করা গেলে বিএনপির আন্দোলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুন গতি পাবে। এককথায়, রাজনীতির কঠিন এই সময়গুলোতে বিকির মতো অভিজ্ঞ ও সাহসী নেতৃত্ব দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

নেতাকর্মীদের মাঝে তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা এখনো অটুট। তাঁর অনুপস্থিতি অনেকের মাঝেই হতাশা তৈরি করছে। অনেকে মনে করছেন, দলের অভ্যন্তরে এমন একটি শক্তিশালী নেতৃত্বকে উপেক্ষা করা মানে, নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিকেই দুর্বল করা।

এড. নজরুল ইসলাম খান বিকি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি হয়ে উঠেছেন এক প্রতীক—ত্যাগ, সাহস ও আন্দোলনের। তাঁর নীরবতা এখন দলীয় কৌশলের অংশ নাকি অভিমান—সে প্রশ্নের জবাব না থাকলেও, তাঁকে পুনরায় রাজনীতির মাঠে দেখতে চান অসংখ্য নেতাকর্মী।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির তৃণমূলের এই দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলেই মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, গাজীপুরসহ সারাদেশে যারা মাঠের মানুষ, যাঁরা রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়া সংগঠনের ভিত মজবুত করা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গাজীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য—রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই, সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারাই নেতার বড় গুণ।


More News Of This Category
bdit.com.bd